“সাত দিনে উত্তপ্ত ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: নিহত শতাধিক, মধ্যপ্রাচ্যে সংকট গভীর”
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত গত সাত দিনে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে উভয় পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে ইরানে অন্তত ৬৩৯ জন নিহত ও ১,৩২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলে ২৪ জন নিহত ও ৫,১১০ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ।
সংঘাতের প্রধান ঘটনা:
১৩ জুন: ইসরায়েল ইরানের আটটি শহরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার মধ্যে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র ও তাবরিজ শহরের গবেষণাকেন্দ্র উল্লেখযোগ্য। ইরান পাল্টা ড্রোন হামলা চালালেও অধিকাংশ ভূপাতিত হয় ।
১৪ জুন: ইরান তেল আবিবসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং তিনটি ইসরায়েলি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে ।
১৫ জুন: ইরান হাইফা ও বাত ইয়াম শহরে হামলা চালায়, যাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ইসরায়েল পাল্টা হামলায় তেহরান, ইস্পাহান ও মাশহাদ বিমানবন্দরে আঘাত হানে ।
১৬ জুন: ইসরায়েল তেহরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন ও কেরমানশাহ শহরের হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালায় ।
১৭ জুন: ইরান উত্তর ইসরায়েল ও তেল আবিব লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার মধ্যে মোসাদের একটি ঘাঁটি আক্রান্ত হয় ।
১৮ জুন: ইরান ১২তম বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার লক্ষ্য ছিল গোলান মালভূমি ও দক্ষিণ ইসরায়েল ।
১৯ জুন: ইসরায়েল নাতাঞ্জ ও খোনদাব পারমাণবিক স্থাপনাসহ ইরানের বহু স্থানে হামলা চালায়, যার মধ্যে তেহরানে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সদর দপ্তর ধ্বংসের দাবি করা হয় ।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
অস্ট্রেলিয়া তেহরানে অবস্থিত তার দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে যুক্ত হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ইরান কখনো পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করবে না ।
এই সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
আরও বিস্তারিত জানতে, আপনি প্রথম আলোর প্রতিবেদনটি দেখতে পারেন: ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন