ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: প্রয়োজন স্বচ্ছ পরিকল্পনা ও আস্থার পরিবেশ
দেশকে নতুন করে তুলতে পরিকল্পনা ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে - প্রধান উপদেষ্টা একটি দেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র অবকাঠামো বা প্রযুক্তির অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নির্ভর করে সুশাসন, আস্থার পরিবেশ এবং সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যনির্ধারণের ওপর। আজকের বাংলাদেশ যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে—অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা, এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সংকট—তা কাটিয়ে উঠতে হলে প্রয়োজন একটি জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে সুসংহত রোডম্যাপ এবং বাস্তবায়নযোগ্য কৌশল। পরিকল্পনার অভাব আর ভঙ্গুর আস্থা: গত কয়েক বছরে আমাদের দেশ একাধিক খাতে অগ্রগতি অর্জন করলেও, সেগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে। অনেক সময়ে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণ বা প্রকল্প গ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল। সরকারের বিভিন্ন স্তরে নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা না হওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা দ্বিধায় পড়েছেন, আর সাধারণ মানুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে অনিশ্চয়তা। এর ফলে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে দুর্বল করে ফেলেছে। আস্থা গড়ে তোলার উপায় কী?...