“লস অ্যাঞ্জেলস: আগুন, সংঘর্ষ আর সেনাবাহিনী — বিক্ষোভের তীব্রতা দিনে দিনে বাড়ছে!”

 যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস বিক্ষোভে উত্তাল, গাড়ীতে আগুন



তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে — ৪ ঘণ্টা আগে


লস অ্যাঞ্জেলস শহরের কেন্দ্রস্থল গত তিন দিনের মতো বিক্ষোভ ও উত্তেজনায় ছড়িয়ে পড়েছে। অভিবাসন বিরোধী তল্লাশির কারণে বিক্ষোভকারীরা যানবাহনে আগুন দেয়ায় পুলিশ সেখানে নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।


পুলিশের বাণী ও পরিস্থিতি:

লস অ্যাঞ্জেলস পুলিশ জানিয়েছে, আগুন নেভাতে তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে বিক্ষোভকারীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ করে দেয়ায় পুলিশ বাধ্য হয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করেছে।


ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ দমাতে টিয়ার শেল ব্যবহারের নির্দেশ দেন এবং ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের ঘোষণা দেন। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম মোতায়েন বাতিলের জন্য আহবান জানান। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর এই পদক্ষেপকে 'ক্ষমতার অপব্যবহার' বলে সমালোচনা করেছেন।


মেরিন সেনা প্রস্তুত:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ৫০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের দুই হাজার সদস্য লস অ্যাঞ্জেলসে দায়িত্ব পালন করছে।


বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য ও ঘটনা:

বিক্ষোভকারীরা মেক্সিকোর পতাকা নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সমাবেশ করে, পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প তাদের ‘পেইড বিদ্রোহী’ বলে অভিহিত করেছেন।


সাংবাদিকদের মন্তব্য:

লস অ্যাঞ্জেলসের মেয়র কারেন ব্যাস বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ থাকার আহবান জানিয়ে বলেছেন, “আমরা লস অ্যাঞ্জেলসের মানুষের পাশে আছি।”




সম্পর্কিত সংবাদ


যুক্তরাষ্ট্রে কেন কিছু প্রতিবাদ সহিংসতায় রূপ নেয় — ১ জুন ২০২০


পারমাণবিক কর্মসূচির গোপন নথি বাথরুমে রেখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — ১০ জুন ২০২৩


লন্ডনে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশ: বর্ণবাদের যাতাকলে ৩০ বছর — ১৭ মে ২০২০





আরো পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস বিক্ষোভে উত্তাল, গাড়ীতে আগুন

গাজায় যাওয়ার পথে গ্রেটা থুনবার্গের ত্রাণের জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল




AR News 

| সর্বশেষ আপডেট: ৪ ঘণ্টা আগে

© ২০২৫ AR News

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভারতের ভাঙার প্রস্তাব: অস্ট্রিয়ার অর্থনীতিবিদ গুনথার ফেলিঙ্গারের বিতর্কিত মন্তব্য